
সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব), বিশ্বনাথ উপজেলার বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) ও পৌর শহরের কৃপাখালী (রামধানা) গ্রামের কৃতিসন্তান বিজিত রঞ্জন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বিভিন্ন মহলের নেতৃবৃন্দ।
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিজিত রঞ্জন সরকারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশকারীরা হলেন- বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক, রামসুন্দর সরকারি অগ্রগামী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নবেন্দ্যু জ্যোতি দে, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক মানিক লাল দে, উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর দাস শংকু, সাধারণ সম্পাদক শংকর চন্দ্র ধর, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের কার্যনির্বাহী সদস্য নিশি কান্ত পাল, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুনীল কান্তি দেব, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক বিভাংশু গুন বিভু, উপজেলা জন্মাষ্ঠমী উদযাপন কমিটির সভাপতি নেপাল কুমার দেব, সাধারণ সম্পাদক চন্দন দেব, আসন্ন বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেবুল মিয়া, আসন্ন বিশ্বনাথ পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মুমিন খান মুন্না, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য নবীন সুহেল, বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, সদস্য সুজিত দেব, বিশ্বনাথ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর রফিক হাসান, ফজর আলী, জহুর আলী, শ্রীশ্রী শনি মন্দির সার্বজনীন দূর্গা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিজয় দে, সাধারণ সম্পাদক কানু রঞ্জন দে প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ১১ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যা ৬.১০ ঘটিকার দিকে স্টোক করে সিলেটের একটি প্রাইভেট হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন বিজিত রঞ্জন সরকার। পরদিন (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উনার নিজ গ্রাম কৃপাখালী (রামধানা)’তে মরদেহ সমাধীস্থ করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি ১ কন্যা, স্ত্রী, মা, ৩ ভাই ও ২ বোন’সহ অসংখ্য আত্নীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :