
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক জহুরুল হোসেন জহিরকে গ্রেপ্তার করেছে থানাপুলিশ। তিনি লামাকাজী ইউনিয়নের মুন্সিরগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। সোমবার (১০ নভেম্বর) মধ্যরাতে গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকা থেকে সিলেট-২ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী নিখোঁজের পর ২৩ এপ্রিল সিলেটের বিশ্বনাথে ঘটে যাওয়া রনক্ষেত্রের ঘটনায় আহত হওয়ার প্রায় ১৩ বছর পর গত ৬মে সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের রামপাশা গ্রামের মৃত আসলাম আলীর পুত্র হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১০৫ জনকে এজাহারনামীয় অভিযুক্ত ও আরোও প্রায় ৩ শতাধিক ব্যক্তিকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওই মামলার অভিযুক্ত হচ্ছেন গ্রেপ্তারকৃত আওয়ামী লীগ নেতা স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক জহুরুল হোসেন জহির। আদালতের নিদের্শনায় পরবর্তিতে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ মামলাটি রের্কড করে। যার নং ১০ (তাং ২২.০৬.২৫ইং)।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, ২০১২ সালের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :