মাফিয়া চক্রের কবলে পড়ে লিবিয়ার ত্রিপলি মাতার জেলে ৬০ বাংলাদেশি


alochitosnp07 প্রকাশের সময় : জুলাই ১৪, ২০২৪, ৫:৫৭ অপরাহ্ন /
মাফিয়া চক্রের কবলে পড়ে লিবিয়ার ত্রিপলি মাতার জেলে ৬০ বাংলাদেশি

ডেস্ক নিউজ: লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপলি মাতার জেলে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছে রবিউল নামের এক তরুণ। সে বেঁচে আছে কিনা কেউ বলতে পারছে না। মাফিয়া চক্র রবিউলসহ ৬০ বাংলাদেশিকে আটকে রেখে টাকার জন্য নির্যাতন করছে।
রবিউলের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার কারিকোনা গ্রামে। সে ২০২৩ সালের ২৫ জুলাই বিমান যোগে দুবাই যায়। সেখানে লিবিয়ার অধিবাসি জনৈক আব্দুর রহমানের সাথে পরিচয় হলে আব্দুর রহমান উন্নত চাকরির আশ্বাস দিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায়। লিবিয়ায় বাংলাদেশি আহসান খান নামের এক দালালের হাতে রবিউলকে তুলে দিলে আহসান রবিউলকে ৩ লাখ টাকা দেয়ার দাবি করে। অন্যতায় তাকে হত্যা করা হবে। এখবর দেশে আসলে ছেলেকে বাঁচানোর জন্য রবিউলের মা নাছিমা বেগম প্রথমে ২ লাখ টাকা পাঠায়। এ টাকা পেয়ে আহসান সন্তুষ্ট না হয়ে তাকে মাফিয়া চক্রের হাতে তুলে দেয়। মাফিয়া চক্রের দালাল আব্দুর রহমান রবিউলসহ ৬০ জন বাংলাদেশিকে জেলে ঢুকিয়ে তাদেরকে মুক্ত করার জন্য পুনরায় টাকা দাবি করে। গত ১২জুন লিবিয়ার বেলকাজি হতে ত্রিপলি জেলে তাদেরকে পাঠানো হয়। বর্তমানে সেখানে চরম নির্যাতনের শিকার রবিউলসহ ৬০ বাঙালি রয়েছে। গত ৪ জুলাই রবিউল একটি চিটি লিখে মায়ের কাছে পাঠায়। ছেলের জীবন বাঁচাতে মা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমিনের কাছে তার ছেলে রবিউলকে লিবিয়ার জেল থেকে মুক্ত করতে আবেদন করেন। ড. মোমেন বিষয়টি বিবেচনার জন্য প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর বরাবরে প্রেরণ করেন।

চিরকুটে রবিউল লিখেছে, চুনারুঘাটের এমপি ব্যরিষ্টার সায়েদুল ইসলাম সুমনকে জানালে তিনি আমিসহ ৬০ বাংলাদেশিকে লিবিয়ার জেল থেকে উদ্ধার করতে পারবেন। আমাদেরকে তাড়াতাড়ি উদ্ধার করা না হলে মাফিয়া চক্র টাকার জন্য হত্যা করতে পারে।
রবিউলের মা নাছিমা বেগম জানান, আমার ছেলেকে লিবিয়ার জেল থেকে উদ্ধারে আমি প্রধানমন্ত্রী ও এমপি ব্যারিষ্টার সুমন সাহেবের সহায়তা কামনা করছি। জেলে আটককৃতদের জরুরী ভিত্তিতে উদ্ধার না করলে তাদের করুণ পরিণতি ঘটতে পারে।