
সিলেটের বিশ্বনাথে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দশপাইকা ও বিশ্বনাথ পৌরসভার ০৯ ওয়ার্ডের আনরপুর গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ আহত হয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক। উভয় পক্ষের আহতরা প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। আর গুরুতর আহত কয়েকজনকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে বলে উভয় পক্ষের লোকজন জানিয়েছেন।
খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। বিষয়টি আপোষ-মিমাংশা সমাধান করার জন্য দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান’সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
দশপাইকা গ্রামের পক্ষে আহতরা হচ্ছেন- নিজাম উদ্দিন (৫৩) জুবেল মিয়া (২৮), খালেদ খান (৪৩), শানুর আলী আলী (৪৯), বাকপ্রতিবন্ধি মাসুক মিয়া (৫১), জামাল মিয়া (৩৫), কামাল মিয়া (৩৭), চাঁদ উদ্দিন (৪৩), শাহিন খান (৪৫) ও আব্দুল আলিম (৩০)।
আনরপুর গ্রামের পক্ষে আহতরা হচ্ছেন- সেলিম মিয়া (৪১), সাইদুর রহমান (৪২), আব্দুল মালিক (৪৬), স্কুলছাত্র ফয়েজ আহমদ (১৩), মান্না মিয়া (৩৪), আরকুম আলী (৪৩) ও আফজল মিয়া (২৭)।
এছাড়াও রাতে ইটপাটকেলে উভয় গ্রামবাসীর মধ্যে প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন।
জানতে চাইলে দশপাইকা গ্রামের আব্দুল হামিদ খান সুমেদ (৪২) জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান ও থানার দারোগা জহিরুল ইসলাম বিষয়টি আপোষে দেখার প্রস্তাব দিয়েছেন। ফলে আমােেদর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দেয়া হয়নি।
এদিকে জানতে চাইলে আনরপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীন বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় আমাদের গ্রামের বেশ কয়েকজন আহত হয়েেেছন। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে মামলা করার কোনো পদক্ষেপ নেইনি।
সংর্ঘষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান জানান, কোনো পক্ষ থেকেই এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :