জুড়ীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে সাইবার আদালতে মামলা


alochitosnp07 প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৯, ২০২৩, ৬:২৯ অপরাহ্ন /
জুড়ীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে সাইবার আদালতে মামলা

জুড়ী(মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ 

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক কর্মচারি নিয়োগ কে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে মাননীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল সিলেট বরাবর একটি পিটিশন দায়ের করেছেন রাঘনা বটুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ফুলতলা বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্য নাজমুল আলম লিজন।

গতকাল ২৮ আগষ্ট দায়েরকৃত মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায় নাজমুল আলম লিজন রাঘনা বটুলী উচ্চ বিদ্যালয় সভাপতি ও বশির উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী সদস্যের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি একজন আমদানি রপ্তানিকারক ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় তার সুনাম রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্টানের সংলিষ্টরা তার কর্ম দক্ষতায় আকৃষ্ট হয়ে সভাপতি ও সদস্য নির্বাচিত করেন।নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পরাজিত প্রতিপক্ষ গণ সবসময় তিনির সকল ভালো কাজের সমালোচনা করে আসছে।তিনি বলেন, তাদের সমালোচনা কে কর্ণপাত না করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি।এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ ই আগষ্ট  বিধি মোতাবেক জাতীয় ও স্হানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ৩৬ জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্য থেকে যোগ্য প্রার্থীদের কে যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদে নিয়োগ প্রদান করেন।এখানে কোনো অনিয়ম কিংবা দূর্ণীতির সুযোগ নেই।পরীক্ষায় ফেল করা প্রার্থী ও তাদের অভিভাবকসহ প্রতিপক্ষ কিছু লোক এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে ও সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকের মাধ্যমে আমার সম্পর্কে মানহানি হয় এমন মিথ্যা তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা শুরু করেছে।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগষ্ট ২০২৩ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১১ টায় ফুলতলা বাজার নিবাসী মৃত আলাল মিয়া’র পুত্র মোঃআব্দুল বাছিত ছায়াদ ( ৩৫)” সাবধান জুড়ী বড়লেখা” নামক একটি ফেসবুক পেইজে আমার ছবি যুক্ত করে আক্রমনাত্মক, নানা অশালীন,কুরুচিপূর্ণ সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর একটি সংবাদ প্রকাশ করে। প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করে ” জুড়ী উপজেলা ফুলতলা ইউনিয়নে চাকরির কথা বলে হাত দিয়ে নিলেন কয়েক লক্ষ টাকা নাজমুল আলম লিজন,সভাপতি, রাঘনা বটুলী উচ্চ বিদ্যালয় ৫ জনরে চাকরির জন্য কযেক লক্ষ টাকা নিয়েছি। উক্ত প্রকাশিত মিথ্যা মানহানিকর সংবাদটি উল্লেখিত আব্দুল বাছিত ছায়াদ এর নিজস্ব ফেসবুক MD Sayad আইডিতে শেয়ার দিয়ে আমার মান ক্ষুন্য করেছে। 

উক্ত প্রচারিত পোষ্টে ছায়াদের সহযোগী বটুলি নতুন বাজার এলাকা নিবাসী ওসমান আলীর পুত্র আব্দুস ছালাম (৩৫) তাহার নিজ নামীয় ফেসবুক আইডি Abdus salam Botuli থেকে আমার সম্পর্কে মিথ্যা ও মানহানিকর একাধিক কমেন্ট করে বলেন,”কিছুতো ঘটেছে না হলে সারা ফুলতলায় তোলপাড় নিয়োগ বাণিজ্য নিয়া”যার ফলে আমি পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছি।

এ ছাড়া ও বিরইনতলা নিবাসী মাসুক মিয়ার পুত্র খায়রুল ইসলাম মুন্না ঐ দিন তার নিজ নামীয় Khondokar J H Munna থেকে একই ধরণের আক্রমনাত্মক ও মানহানিকর পোষ্ট শেয়ার দিয়ে আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত ২৪ শে আগষ্ট পুর্ব বটুলির আব্দুস ছালাম,বারি মিয়া ও বিরইনতলা গ্রামের আব্দুল হান্নান গং বিদ্যালয়ের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করে।উক্ত অভিযোগ তদন্তের আগেই একটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করে বিদ্যালয় ও আমার ভাবমূর্তি বিনষ্ট করছে। আমি ও আমার আত্বীয়স্বজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখিয়া খুব বিব্রত অনুভব করিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হইয়া পড়ি।আমি তাহাদের মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদ করিলে আমাকে মারিয়া ফেলার হুমকি প্রদান করেন।আমি প্রাণে বাঁচার জন্য এবং আমার মান সম্মান রক্ষার জন্য উল্লেখিত তিনজন কে এজহারভুক্ত ও  অজ্ঞাত ১০/১৫ জন কে আসামী করে গতকাল ২৮ আগষ্ট  মাননীয় সাইবার ট্রাইব্যুনাল,সিলেট বরাবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ইং এর ২৩/২৫/২৬/২৯/৩৫ ধারা মোতাবেক পিটিশন মামলা দায়ের করি।তিনি আরও বলেন,

আমি আমার উপর সকল মিথ্যা অপবাদের বিচার চাই।আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। বিধায় আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।আপনারা সমাজের দর্পন।আপনাদের লেখনির মাধ্যমে সঠিক সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সত্য প্রকাশিত হবে বলে আমি আশাকরি।তারা একটি সুন্দর শিক্ষা প্রতিষ্টান নিয়ে চিনি মিনি খেলতে চাচ্ছে। তাদের কোনো সামাজিক অবস্হান না থাকায় বিদ্যালয় ধ্বংসের পায়তারায় লিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে।আমি তাদের মিথ্যা তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।