
সালমান হোসেন,জুড়ী প্রতিনিধিঃ
আজ ৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস । ৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াই ১৯৭১ সালে এসে পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর নির্যাতন, নির্বিচার হত্যাযঞ্জ ও রক্তসাগর পাড়ি দেয়ার পর মেলে পরম চাওয়া স্বাধীনতার। যথাযথ মর্যাদায় সারা দেশে পালিত হচ্ছে দিনটি।দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্বের মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে একটি ভূখন্ডের, যার নাম বাংলাদেশ।
১৯৭১ সালে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার বার্ষিক বাজেট আজ পরিণত হয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেটে। সেদিনের ১২৯ ডলার মাথাপিছু আয়ের দেশটিতে বর্তমান মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮১৪ মার্কিন ডলার। সময় পেরিয়েছে, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়েছে। মাথাপিছু আয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও দেশজ উৎপাদন, বৈদেশিক বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ব্যবহার এবং সম্পদ উৎপাদন ও আহরণ দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আজ রবিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন বিষয়ক অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রঞ্জন চন্দ্র দের সভাপতিত্বে ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সুজাউদ্দৌলা ওজনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলামের যৌথ উপস্থাপনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক বক্তব্য রাখেন সরকারি কমিশনার (ভূমি) রতন কুমার অধিকারী,উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রঞ্জিতা শর্মা,ওসি মোশারফ হোসেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মনসুর আলী,উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা কুলেশ চন্দ্র চন্দ মন্টু,যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহীদ চৌধুরী খুশি,বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজির আহমদ লিলু,বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবুল আহমদ প্রমুখ
এ ছাড়া সকালে স্থানীয় শিশু পার্কে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু করা হয়।
সকাল ৮টায় তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ মাঠে উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ইউএনও রঞ্জন চন্দ্র দে ওসি মোশারফ হোসেন।
পরে কলেজ মাঠে কুচকাওয়াজ ও শারীরিক কসরত প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, স্কাউটস, গার্লস গাইড, ছাত্রছাত্রী ও শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।
আপনার মতামত লিখুন :