
সালমান হোসেন,জুড়ী প্রতিনিধিঃ বছর ঘুরে এসেছে শহীদ দিবস।শহীদদের আত্বত্যাগকে স্বীকার করে প্রতি বছর শহীদ দিবস ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে সরকারি,বেসরকারি সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতিষ্ঠান শহিদ মিনার নেই জুড়ীর টি ৬৫ বিদ্যালয়ে।তালিকার মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে ৯ টি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে ৪৯ টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।দাখিল,আলিম,ফাযিল পর্যন্ত ৮ টি মাদ্রাসার মধ্যে শুধু মাত্র হযরত শাহখাকী (রঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায় শহিদ মিনার রয়েছে।অপর প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেই,এসব প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ না করে আলোচনা সভা কিংবা মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এসব দিবসগুলো পালন করা হয়।এসব প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণের সরকারি কোন বরাদ্ধ নেই।প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ,ব্যক্তি উদ্যোগ, টিআর,জেলা পরিষদের বরাদ্ধ কিংবা অন্যান্য বরাদ্ধ দিয়ে নির্মাণ করা হয় শহীদ মিনার।
আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক,শিক্ষার্থী মিলে অস্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণে ব্যস্ত থাকেন জাতীয় দিবসগুলোর আগের দিন।
কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না বানিয়ে শুধু আলোচনা সভা করে দিবসটি পালন করা হয়।
দিগলবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২১ সালে বাশঁ দিয়ে সাজিয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ করেছিল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।শিক্ষকদের সহযোগিতায় সুন্দর সেই শহীদ মিনারে নজর কেড়েছিল সবার।
রতনা চা বাগান সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন,
কলা গাছ, বাশঁ দিয়ে বিদ্যালয়ে সবাই শহীদ মিনার তৈরী করে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করি আমরা।একটি স্থায়ী শহিদ মিনার প্রয়োজন।বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছি,আশা করি বরাদ্ধ পাবো।
ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তাজুল ইসলাম জানান,স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া বরাদ্ধ টিআর দিয়ে তারা ৪ টি বিদ্যালয়ের শহিদ মিনার নির্মাণ করে দিয়েছেন, তাদের ইউনিয়নে আরও যে কয়েকটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নেই, আগামী বরাদ্ধে সেগুলোর শহিদ মিনার তারা করে দিবেন।
জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মোঈদ ফারুক বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে শহিদ মিনার নির্মাণের কোন বরাদ্ধ নেই,আগামীতে পরিষদের বরাদ্দ থেকে শহিদ মিনার নির্মাণ করে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :