বিশ্বনাথের মফস্বলে গরীব-অসহায় মায়েদের সুচিকিৎসা সেবা দেবে ‘মেটারনিটি হসপিটাল’


alochitosnp07 প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৪, ১২:২০ অপরাহ্ন /
বিশ্বনাথের মফস্বলে গরীব-অসহায় মায়েদের সুচিকিৎসা সেবা দেবে ‘মেটারনিটি হসপিটাল’

প্রবাসী ও বিত্তবানদের সার্বিক সহযোগী পেলে চলতি বছরই মফস্বলের গরীব-অসহায় মায়েদের সুচিকিৎসা সেবা দেওয়ার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করতে চান ‘মেটারনিটি হসপিটাল’ কর্তৃপক্ষ। সিলেটের বিশ্বনাথ পৌর এলাকার মোরার বাজারের নিকর্টবর্তী বিশ্বনাথ-খাজাঞ্চী রোড়ের পাশে চলমান রয়েছে মেটারনিটি হসপিটালের নির্মাণ কাজ। কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মফস্বল এলাকায় মায়েদেরকে সুচিকিৎসা প্রদানের মাধ্যমে এলাকার মাতৃ ও শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনা’সহ সুন্দর সমাজ বিনির্মানে অংশিদারিত্ব করা।

শুক্রবার (২ ফেব্রæয়ারী) বিকেলে মুসলিম হ্যাম্প ইউকে’র সহযোগীতায় ‘মেটারনিটি হসপিটাল’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ও সংগঠনের বর্তমান কার্যক্রম সাংবাদিকদের মাধ্যমে জনসম্মুখে তুলে ধরে সকলের সার্বিক সহযোগী পেতে ‘এম এইচ সেন্টার মিলনায়তনে’ স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় জানিয়েছেন ‘এম এইচ সেন্টার’র ফাউন্ডার ও চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী আব্দুস সোবহান।

মতবিনিময় সভায় প্রবাসী আব্দুস সোবহান আরও জানান, মুসলিম হ্যাল্প ইউকে’র সহযোগিতায় চ্যারিটির মাধ্যমে এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্মাণ করা হচ্ছে মেটারনিটি হসপিটাল। এতে মফস্বল এলাকার গরীব-অসহায় রোগীদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়া হবে। প্রায় ৭ হাজার ৭ শত বর্গফুট নিয়ে ৭ তলা বিশিস্ট হসপিটালের নির্মাণে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এখন ফাইলিং শেষ হয়ে বিল্ডিংয়ের ভিত্তির কাজ চলছে। আমরা আশাবাদী এবছরই প্রথম তলার কাজ শেষ হবে। আর প্রথম তলার কাজ শেষ হলেই চিকিৎসা সেবা চালু করা হবে। তবে ২০২৫ সালের মধ্যে হসপিটালের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে। এই হসপিটাল নির্মাণে অনেক ব্যয়, তাই প্রবাসী বিত্তবানদের কাছে তিনি সহযোগিতা চান। তিনি বলেন, বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাড়াতাড়ি এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হবে। আর হসপিটালের কাজ সম্পূর্ণ হলে এতে উপকৃত হবে এলাকার গরীব অসহায় রোগিরা।

প্রতিষ্ঠানের সহ সভাপতি মাস্টার মুজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক মাওলানা এতেশামুল হক তোফায়েলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন, প্রতিষ্ঠানের সহ সভাপতি ইউনুস আলী। সভার শুরুতে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন শিক্ষার্থী হাফিজ এমদাদুল হক তায়্যিব।